প্রয়োজন কথাটার ভেতর কি কি থাকে? এত বেশী মৌলিক শিক্ষার অভাব যে ভাবতে বা তার থেকেও একটু গভীরে খুঁজতে গেলেই ইংরেজি "need" শব্দটাই মনে আসে। প্রয়োজন মানে বেশ অনেকটা জান্তব ইনস্টিঙ্কটিভ ব্যপার - খাওয়া পড়া শোয়া ঘুম মেয়েমানুষের প্রয়োজন (আমি ব্যাটাছেলে তাই), বেশ এমন অনেক কিছু যার জন্য খুব একটা ফিলিংস এর দরকার নেই। এটা কেন বা কি করে হয়ে দাঁড়ায়? মাথার ভেতর একটা কিছু কাজ করে যা প্রায়োরিটি তৈরি করে, সেই প্রায়োরিটি ফিলিংস বা মৌলিক অনুভূতি গুলোকে আস্তে আস্তে ঠেসে ধরে, তার চাপ এতটাই যে ফিলিংস গুলো গুটিয়ে যেতে আরম্ভ করে, তারপর একদিন ফিলিংস বলতে পড়ে থাকে শুধু ব্যথা পেলে কাঁদা বা রাগে উন্মাদ হয়ে যাওয়া, আর খুব কখনও কখনও ঠা ঠা করে হেসে ওঠা হত সেই হেসে ওঠা অনেককেই অবাক করে।
চিন্তা ভাবনা অনুভূতি এ সবের মিশ্রন থেকে তৈরি হওয়ার কথা বোধ নামের রসায়ন টার। প্রয়োজনের চালচিত্র বোধশক্তিকে গ্রাস করে নেয়। হয়ত পথ টা নিজে নিজেই তৈরি করে নেওয়া। সেই এক "নাউ" ফ্যাক্টর, চাই এর মুহুর্ত বাকি সব কিছু গ্রসিত, প্রয়োজনের গ্রাসে। অনুভূতির চেতন টা সেটুকুই থাকে যেটুকু থাকলে প্রয়োজনের কাজ মিটবে।
চিন্তা থাকে ভাবনা থাকে মারা পড়ে নাকি মেরে ফেলি মৌলিক অনুভূতির সিট গুলোকে। কবিতায় লিখে ফেলি "এস আজ বর্ষা খুলে দেখি" অথচ শুধু ভিজে যেতে পারার শারীরি অনুভব ছাড়া ভেতর কি করে ভেজাতে হয় ভুলে গেছি, যে এনটিটি টা কে অবলম্বন করে নিজের ভেতর ভেজাতে চাওয়ার কথা কবিতায় বলি, তাকে খুলে দেখে বড়জোর তার শরীর টাই দেখি।
চিন্তা ভাবনা অনুভূতি এ সবের মিশ্রন থেকে তৈরি হওয়ার কথা বোধ নামের রসায়ন টার। প্রয়োজনের চালচিত্র বোধশক্তিকে গ্রাস করে নেয়। হয়ত পথ টা নিজে নিজেই তৈরি করে নেওয়া। সেই এক "নাউ" ফ্যাক্টর, চাই এর মুহুর্ত বাকি সব কিছু গ্রসিত, প্রয়োজনের গ্রাসে। অনুভূতির চেতন টা সেটুকুই থাকে যেটুকু থাকলে প্রয়োজনের কাজ মিটবে।
চিন্তা থাকে ভাবনা থাকে মারা পড়ে নাকি মেরে ফেলি মৌলিক অনুভূতির সিট গুলোকে। কবিতায় লিখে ফেলি "এস আজ বর্ষা খুলে দেখি" অথচ শুধু ভিজে যেতে পারার শারীরি অনুভব ছাড়া ভেতর কি করে ভেজাতে হয় ভুলে গেছি, যে এনটিটি টা কে অবলম্বন করে নিজের ভেতর ভেজাতে চাওয়ার কথা কবিতায় বলি, তাকে খুলে দেখে বড়জোর তার শরীর টাই দেখি।
No comments:
Post a Comment